Govt. K.M.H. College, Kotchandpur

College & university
Rating
Likes Talking Checkins
15 0
About Govt. KMH Degree College
Kotchandpur, Jhenidah - 7330
Description ১৯৬৭ সালের ১লা ডিসেম্বর তৎকালীন এম,পি,এ (সংসদ সদস্য) এম, এ ওয়াদুদ সাহেবের সভাপতিত্বে স্থানীয় কমিউনিটি হলে ৩৩ (তেত্রিস) জন সদস্য নিয়ে কলেজ প্রতিতিষ্ঠা সংক্রান্ত এক সাধারণ সভা করে। এই সভায় ২০ (কুড়ি) সদস্যের একটি এড-হক কমিটিও গঠিত হয়। কিন্তু পরো একটি বছর কেটে যায় প্রস্তুতিতে। এর পর ১৩/৫/১৯৬৮ তারিখে ঝিনাইদহ মহাকুমা প্রশাসক জনাব মোঃ ফয়জুল্লাহ সি.এসপি সাহেবের সভাপতিত্বে থানা উন্নয়ন কেন্দ্রে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ও সভায় প্রস্তাবিত “ কোটচাঁদপুর কলেজ ” নামে স্থানীয় ন্যাশনাল ব্যাংকে একটা একাউন্ট ও খোলা হয়। কি›তু প্রথমাবস্থায় কলেজটিকে দাঁড় করানোর জন্য প্রয়োজন পড়ে। বেশ কিছু এক কালীননগদ অর্থের আগ্রহী বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও দানশীল ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে অনুদান হিসাবে যে অর্থ পাওয়া গেল , তা প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই অপ্রতুল- যা একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ঠ নয়। প্রয়োজন দেখা দিল এক জন ডোনার-এর । যথা সময়ে এই শহরের বিশিষ্ট ঠিকাদার খোন্দকার মোশাররফ হোসেন সাহেব এককালীন নগদ ৩৫,০০০ (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন। তবে তিনি বললেন কলেজটির নামকরণ তার নামে হতে হবে। যদিও তখন শহরের বিভিন্ন কর্নার থেকে মৃদু আপত্তি উঠেছিল, কিন্তু কলেজটি “ আলোর মুখ ” দেখুক- এই মানসে সবাই বিষয়টিকে গুরুত্ব পূর্ণ মনে করেনি। যাহোক ০২/০৭/১৯৬৯ ইং তারিখে (৬ নং প্রস্তাব অনুসারে) কলেজটির নাম করণ করা হলো “ খোন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজ ”।
১৯৬৯ সালের ১লা জুলাই হতে উচ্চ মাধ্যমিক মানবিক ও বানিজ্য শাখায় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি শুরু হয়। আর ক্লাশ শুরু হয় হাই স্কুলের পুরানো ভবনে। সে সময় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব এস,এম, তাজুল ইসলাম পরের বছরে অর্থাৎ ১৯৭০ সালে এখানে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। আর যথা সময়ে যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে ¯ী^কৃতি পাওয়া যায়। শুরু হয় ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধ যা ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয়ের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়। কলেজের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ক্ষেত্রেও আসে নানান পরিবর্তন। নতুন অধ্যক্ষ হিসাবে ০১/৭/১৯৭২ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন জনাব মোঃ আব্দুল মতলেব যিনি এই কলেজ গড়ার ক্ষেত্রে ছিলেন একজন নিবেদিত প্রান ও কারিগর। তিনি কোটচাঁদপুর শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গের সাথে এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আন্তরিক যোগাযোগ রেখে কলেজটিকে শনৈ শনৈ এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁর নিরলস চেষ্টার সাথে যেসব মহৎ ব্যক্তি বর্গের অনুপ্রেরণা ও কর্ম প্রচেষ্টা যুক্ত হয়ে কলেজটি একটি মহিরুহ লাভ করেন তাঁরা হলেন সর্বজনাব (১) মরহুম হাজী মকবুল হোসেন (২) মরহুম রফি উদ্দীন আহম্মদ (৩) মরহুম মাসুদুন্নবী চৌধূরী (৪) মরহুম নুর মোহাম্মদ সরদার (৫) মরহুম আব্দুল ওয়াদুদ সরদার (৬) মরহুম আব্দুল মান্নান সরদার (৭) জনাব শামসুর রহমান (এম এ) (৮) মরহুম কাজী আসাদুজ্জামান (৯) মরহুম আব্দুস সাত্তার (১০) জনাব আসাদুজ্জামান (১১) জনাব দেলওয়ার হোসেন (১২) মরহুম ওয়াছেল হোসেন (১৩) মরহুম আব্দুল আজিজ বিশ্বাস (১৪) মরহুম কাজী আঃ মান্নান (১৫) মরহুম আহাদ আলী (১৬) মরহুম সিরাজুল হক (সিরু মিয়া) (১৭) মরহুম মশিউর রহমান (১৮) মরহুম ডাঃ আসাদুল করিম খাঁন (১৯) মরহুম তাজ উদ্দীন আহমেদ (২০) জনাব আবদুর রহমান প্রমুখ।
এ ছাড়াও কলেজের উন্নয়নে এলাকার আপামর জন সাধারণ যারা ধানের মৌসুমে ধান, রবি শস্যর মৌসুমে রবি শস্য, গরু হাটা থেকে চাঁদা, আখের সেন্টার থেকে চাঁদা, রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে চাঁদা, সিনেমা হল থেকে চাঁদা ইত্যাদি স্বত:স্ফুর্ত ভাবে প্রদান করে তারও সরনীয়। অনেক সময় ত্যাগী এই সব শিক্ষক বৃন্দ অর্ধ বেতন কিংবা বেতন ছাড়াই কলেজ চালাতে থাকেন। কলেজের সম্মনিত শিক্ষক বৃন্দও কালেকশনে বেরিয়ে পড়তেন। প্রতি শীত মৌসুমে কলেজের উন্নয়নের জন্য যাত্রা, অপেরা, সার্কাসের ব্যবস্থা করা হত। অর্থাৎ সংকোচ, লাজ লজ্জা ও দ্বিধা উপেক্ষা করে কোটচাঁদপুর বাসী কলেজটির উন্নয়নে সব কিছুই করেছেন। তবে কলেজেটির শুরু থেকে সরকারি করণের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত যাঁরা কলেজের বিভিন্ কর্মকান্ডে জড়িয়ে থাকতেন, এবং নিরলস পরিশ্রম করতেন তাদের মধ্যে মরহুম রফিউদ্দীন আহমদ, জনাব শামসুর রহমান এম,এ জনাব আসাদুজ্জামান প্রমূখের নাম বিশেষ ভাবে উল্লেখ যোগ্য।
বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর কলেজে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ব্যাপক ভাবে বাড়তে থাকে। ফলে পুরাতন হাইস্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের স্থান সংকুলান না হবার কারণে দ্বিতীয় দফা কলেজ স্থান্তর করা হয়। এসময় কলেজের ক্লাস শুরু হয় বর্তমানে পাইলট হাইস্কুলের এসেম্বলী হলে এবং স্কুলের ঘরটিকে অফিস হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ছাত্র ও বহিরাগত অধ্যাপক বৃন্দের থাকার জন্য শহরের মাঝ খানে তারিনী দত্তের দ্বিতল ভবনটি ব্যবহার করা হয়।এরই মধ্যে কলেজের নিজস্ব স্থানে গড়ে উঠেছে একটি নতুন ভবন ও একটি টিন সেড বিল্ডং ফলে ১৯৭৪ সালে কলেজটি তার নিজস্ব ক্যাম্পাসে চলে যায়। ক্যাম্পাস টি মূল শহর থেকে সামান্য দূরে পূর্ব উত্তর পাশে বাজে বামনদহ মৌজাতে অবস্থিত। ক্যাম্পাসটির জমির পরিমাণ ছয় একর ছেষট্রি শতক। কলেজের দক্ষিন পশ্চিম কোণে উপজেলার বিভিন্ন অফিস ও বাস ভবন, পশ্চিমে রেলওয়ে ষ্টেশন, উত্তর পাশে কলেজের প্রাচীর ঘেষে গেছে রেল পথ যা খুলনা রাজশাহী, খুলনা-ঢাকাও খুলনা গোয়ালন্দ এর যোগাযোগ রক্ষা করে। এ ছাড়াও কলেজের দক্ষিণ-পশ্চিম দিয়ে রয়েছে সড়ক পথ। যে পথ দিয়ে বাংলাদেশের সর্বত্রই যোগাযোগ রক্ষা করা যায়।
১৯৭২ -৭৩ শিক্ষা বর্ষ থেকে কলেজটিতে øাতক পর্যায়ে বি,এ ও বি,কম(পাস) কোর্স চালূ হয়। যার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন , রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পায়। ১৯৭৫ সালের ১লা জুলাই। এরপর কলেজটিকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সফলতার সাথে মোকাবেলা করেছে সংকট পূর্ণ সব দিনগুলো। কলেজে শ্রেণী শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম ও এগিয়ে গেছে সাবলীল গতিতে, মনে হতো কলেজটিই যেন ও সময়ে কোটচাঁদপুরের সমস্ত খেলাধূলা ও সাংসকৃতিক কর্ম কান্ডের কেন্দ্র বিন্দু। প্রায় অনুষ্ঠানে কলেজের সাথে শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ বিভিন্নভাবে জড়িত থাকত।। জাতীয় দিবসগুলোতে সকলকে নিয়ে সন্ধা পর্যন্ত চলতো অনুষ্ঠানাদি। কোন দিনই শান্তি শৃংখলা এতটুকু বিঘিœত হয়নি। ঘটেনি কোন অপ্রীতিকর ঘটনা। সুতরাং শান্তি ছিল, আনন্দছিল, ছিল অফুরন্ত প্রান চাঞ্চল্য। আসলো ১৯৮৫ সাল। কলেজটিতে সংযোজন হলো নতুন এক অধ্যায়। শুরু হয় কলেজটির সরকারি করণের কাজ। অধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন জনাব মোঃ আব্দুল মতলেব। কোটচাঁদপুর শহরে গুঞ্জন উঠলো কলেজটি সরকারি হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট হুসা ইন মোহাম্মদ এরশাদ, কোটচাঁদপুরের কলেজটি সরকারি করণ করবেন। একদিন অধ্যক্ষ সাহেব হঠাৎ করেই শিক্ষক মিলনায়তনে সাধারণ শিক্ষকদের এক সভা আহবান করলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের এক পর্যায়ে বললেন যে, আমি কলেজটি সরকারি করণের লক্ষ্যে এগুচ্ছি। সফলতা ৯০%ভাগ আমি আপনাদের সহযোগীতাা ও সাহায্য চাই। তাঁর এই বক্তব্যের বিষয়কে কলেজের শিক্ষক কর্মচারী স্বত:স্ফুর্ত ভাবেই গ্রহণ করেছিল। এ ব্যাপারে সার্বক্ষনিক তাকে সাহায্য করার জন্য কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষকেও তিনি কাছে নেন। যেমন (১) জনাব মোঃ ফরিদ উদ্দীন আহমেদ (২) জনাব মরহুম আব্দুর রশিদ মন্ডল (৩) জনাব ফারজেল হোসেন মন্ডল (৪) জনাব মরহুম আবদুল লতিফ (৫) জনাব মরহুম আমজাদ হোসেন। যত দুর মনে পড়ে প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ ১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশের স্কুল ও কলেজ গুলোকে সরকারি করণের পদক্ষেপ নেয় এবং অনেক স্কুল ও কলেজকে সরকারি করণ করে। এমতবস্থায় ১৯৮২ সালে প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ যশোর সেনানিবাসে শীতকালীন মহড়া পরিদর্শনের একটি প্রোগ্রাম করে। সে সময় যশোর আঞ্চলিক সামরিক আইন প্রশাসক ছিলেন মেজর জেনারেল সাদেকুর রহমান চৌধুরী। আর অধ্যক্ষ আব্দুল মতলেব সাহেবের শ্যালক কর্নেল তফসির আহম্মদ ছিলেন যশোর সেনা নিবাসের এক গুরুত্ব পূর্ণ দায়িত্বে। মেজর জেনারেল সাদেকুর রহমান চৌধুরীর সাথে কর্নেল তফসির আহম্মদ-এর ছিল এক ঘনিষ্ট সম্পর্ক। এমন অবস্থায় কর্নেল তাফসির আহম্মদ অধ্যক্ষ আব্দুল মতলেব সাহেব-কে পরামর্শ দেন যে, প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ-কে দিয়ে আপনার কলেজ ক্যাম্পাসে এক জমকালো জন সভার ব্যবস্থা করেন। আমরা ও সমাবেশে প্রেসিডেন্টকে দিয়ে কলেজ সরকারি করণের ঘোষনার ব্যবস্থা করবো। যেমন কথা তেমন কাজ অধ্যক্ষ সাহেব শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা সহ সবাইকে নিয়ে প্রোগ্রাম তৈরী করলেন।
আসলো সেই মহেন্দ্রক্ষণ,১৭ই ফ্রেরুয়ারী ১৯৮৫ সাল। সকাল ৯টা থেকেই কলেজে ক্যাম্পাস সাজসাজ রবে সজ্জিত। বেলা ১১:৩০ টার দিকে প্রেসিডেন্ট কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলেন অজুস্র্র ফুল লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হলো তাঁকে সভা মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হলো। ও সভাতেই তিনি কোটচাঁদপুর, কলেজকে সরকারি করণের ঘোষনা দিলেন। প্রেসিডে›টের ঘোষনার পর ০১/০৭/১৯৮৫ সালে তা কার্যকরী হয়। অবসান হলো কলেজের টানা পোড়ানো দিনের। ১৯৮৫ সালে সরকারি করণের পর থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ভৌত- অবকাঠামোর যতটা উন্নয়নের কথা ছিল, তেমনটি উন্নয়ন হয়নি। প্রাচীন মূল ভবনটি দ্বিতল ভবনে রূপান্তরিত হয়েছে যেখানে অফিস, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের কক্ষ, লাইব্রেরী, ছাত্র-ছাত্রী কমনরুম ও শিক্ষক মিল নায়তন আছে। এ ছাড়া একটি বিশাল ভবন একটি মসজিদ এবং নির্মানাধীন একটি ডরমেটরী ও সাইকেল ষ্টোর রয়েছে।
বর্তমানে কলেজটি পূর্ণাঙ্গ ডিগ্রী কলেজ। এখানে কলা, বানিজ্য ও বিজ্ঞান বিভাগ কোর্স চালু আছে। ডিগ্রী পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা সন্তেষজনক তবে পুরাতন কলেজ হিসাবে এ কলেজে অর্নাস কোর্স চালু হয়নি, যা এখানকার আপামর জন সাধারণের প্রানের দাবী। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক, বিজ্ঞান, ও ব্যবসায়ের ষিক্ষা কোর্স চালু আছে। এ কলেজে শিক্ষকদের সৃষ্ট পদের সংখ্যা ৪২টি বর্তমানে ৩২ জন শিক্ষক কর্মরত আছে। নিয়মিত ও অনিয়মিত কর্মচারীর সংখ্যা ১৫ জন। কলেজে একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরী আছে, যার পুস্তক সংখ্যা. . . . . . . . এছাড়াও লাইব্রেরীতে খ্যাতনামা ও প্রতিযশা লেখকদের জর্নাল ম্যাগাজিন ও সাময়িকী আছে। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের আলাদা ভাবে লাইব্রেরীতে বসে পড়ার সুযোগ সুবিধা আছে। বলা যায়, লাইব্রেরীটি যতেষ্ট সমৃদ্ধ। ১৯৬৯ সালে কোন এক মহেন্দ্রক্ষণে কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে যে কলেজটি যাত্রা শুরু করেছিল, তা আজ একটি বিশাল প্রতিষ্ঠান। কলেজের এই সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমায় অত্র এলাকার মহৎ প্রান ব্যক্তিবর্গের অক্লান্ত পরিশ্রম, ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক কর্মচারীদের অকৃত্রিম মমতা এবং আন্তরিক সেবার কাছে কলেজ শতভাগ এনী।
Mission Provide quality education services
Phone +880452465018
Web site http://www.kmhcollege.com
Share

Reviews and rating

Avatar
Rate this college & university